এই ৪টি উপায়ে পেট্রোল পাম্পে আপনার সাথে চিটিং করা হয়!

প্রত্যেক বছর রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাল মিলিয়ে বেড়ে চলেছে পেট্রোল ডিজেলের দামও। বহু পেট্রোল পাম্পগুলিক মালিকরাই কিন্তু পকেটে টাকা ভরতে গ্রাহকদের সঙ্গে জালিয়াতি করেন। আপনি কি জানেন কিভাবে পেট্রোল পাম্পের মালিকরা আপনার অজান্তেই

আপনাকে লুঠ করছে? আপনি যখন পেট্রোল পাম্পে যান তখন মূলত আপনার মনোযোগ থাকে পেট্রোল পাম্পের কর্মীদের উপর। যারা পেট্রোল বা ডিজেলের পাইল ধরে আপনার গাড়িতে তা ভরে দেয়। জ্বালানি গাড়িতে ভরার পর এই পাইপে ও তার অগ্রভাগে কিছুটা জ্বালানি রয়ে যায়।

যা আপনার গাড়িতে ঢোকে না, অথচ তার জন্যও কিন্তু আপনাকে টাকা দিতে হয়। গ্রাহকের মনোযোগ নষ্ট করতে তেল ভরতে ভরতেই তাদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন কর্মীরা। যাতে গ্রাহক নজর রাখতে না পারে। গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করতে অঙ্কের মারপ্যাঁচও ব্যবহার করা হয়। ধরুন কোনও গ্রাহক ১০০০ টাকার জ্বালানি চাইলেন। পেট্রোল পাম্প কর্মী প্রথমে ইচ্ছাকৃতভাবে ২০০ টাকার জ্বালানি করে রাখেন। তারপর

গ্রাহককে জিজ্ঞাসা করেন কত টাকার জ্বালানি তিনি চান। তখন গ্রাহক আবার একই কথা বললে জ্বালানি মেশিনের কাঁটা ০ তে না এনেই আরও ৮০০ টাকার জ্বালানি ভরে দেন। গ্রাহক বুঝতেই পারন না যে জ্বালানি মাত্র ৮০০ টাকার গিয়েছে অথচ তিনি দিয়েছেন ১০০০ টাকাই। ফলে ২০০ টাকার জ্বালানির ক্ষতি হল গ্রাহকের।অন্য একটি উপায় হল, পেট্রোল পাম্পগুলি মিটারে গড়মিল করে। যদি গ্রাহক চান ৫০০ টাকার

জ্বালানি তেল, তাহলে কর্মীরা মেশিনের কাঁটা ৫০০-তে সেট করেন। এবং পেট্রোল বা ডিজেল ভরতে শুরু করেন। এবার গ্রাহকরা বুঝতেই পারেন না যে মেশিনের হিসাবে ইচ্ছাকৃত গড়মিল করা হয়েছে। মিটারের দিকে তাকিয়ে ৫০০ টাকা পাম্পে দিয়ে বেরিয়ে যান গ্রাহক। কিন্তু তিনি বুঝতেই পারেন না তিনি প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন। কিন্তু এই প্রতারণা আপনি সহজেই ধরতে পারবেন। গড়মিল করা থাকলেন মেশিনের

স্ক্রিনের ৫০০ সংখ্যাটা স্থির থাকবে। আর গড়মিল করা না হয় তাহলে তা দপদপ করতে থাকে। এবারে দেখে নিন কিভাবে আপনি প্রতারিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত পেট্রোল পাম্প গুলি থেকে৷ ১) ফুয়েল ডিসপেনসিং মেশিনের ভিতরে একটি বিশেষ ইলেক্ট্রনিক চিপ ইনস্টল করা থাকে৷ এই বিশেষ মেশিনে পাঁচ থেকে ১০শতাংশ তেলের পরিমাণ বেশি দেখায় গ্রাহকদেরকে৷ ২) আপনি যদি ১লিটার তেল গাড়িতে ভরান, তাহলে ডিসপ্লে

মেশিনে দেখা যাবে ১লিটারই৷ কিন্তু আদতে ৯৪০মিলিলিটার তেল গাড়িতে ভরা হবে৷ ৩) এই সমস্ত চিপগুলির এক একটির দাম ৩০০০টাকা৷ এসটিএফ অভিযান চালিয়ে প্রকাশ্যে আসে আরও একটি তথ্য৷ এসটিএফের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের অনেকগুলি পাম্প স্টেশনেই এই চিপগুলি বিক্রি করা হয়েছে৷ আর প্রতি মাসে পেট্রোল পাম্পগুলি এই চিপ ব্যবহার করে ১৪লাখ টাকা লাভ করছে৷

About Susmita Roy

Check Also

These signs can tell whether the fetus is a boy or a girl

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে এই ১১টি লক্ষণে বুঝতে পারবেন

প্রতিটি নারীর জীবনেই একটি বিশেষ সময় প্রেগন্যান্সির এই নয় মাস। নিজের শরীরে একটা প্রাণের তিলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.