ত্রিশের পর জীবন নিয়ে এসব ভুল কাজ করছেন না তো!

ছাত্রজীবন পেরিয়ে ক্যারিয়ার নিয়ে শুরু হয় আমাদের দৌড়। এরপর যেন ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকে দায়িত্ব। এক সময় নয়টা-পাঁচটা অফিস থাকলেও ডিজিটাল এই যুগে প্রায়ই রাত পর্যন্ত কিংবা সপ্তাহে প্রতিদিনই করতে হয় অফিস। নিজের দক্ষতা বাড়ানো, জীবনযাপন

উন্নত করাসহ নানা যুদ্ধে আমরা বেশ কিছু ভুল করে ফেলি জীবন নিয়ে। ত্রিশের পর এসব ভুলের কারণে দ্রুত মিড লাইফ ক্রাইসিস দেখা দেয় জীবনে। অনেকেই জীবন নিয়ে হয়ে পড়েন হতাশ। জেনে নিন কোন চার ভুল করবেন না ত্রিশের পর-ত্রিশের পর জীবন নিয়ে এসব ভুল করছেন না তো?

১. সঞ্চয়ে মনোযোগী না হওয়া-
বেতনের সব টাকা খরচ করে শপিং করার অভ্যাস থাকলে সেটা খুব দ্রুত আপনাকে বদলে ফেলুন। ত্রিশের পর অবশ্যই ফিনান্সিয়াল ব্যাকআপ থাকতে হবে। বেতন বাড়ুক কিংবা না বাড়ুক, কিছু টাকা সঞ্চয় করতে হবে। কারণ দিন দিন খরচ কমবে না, বাড়বেই। ২. ক্যারিয়ার নিয়ে অতিরিক্ত সচেতন হতে গিয়ে সম্পর্ক রক্ষার বিষয়ে অমনোযোগী হয়ে পড়া-

জীবনে কাজ থাকবেই। ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে গিয়ে কাছের সম্পর্কগুলোকে অবহেলা করবেন না। এতে একসময় সাফল্য ধরা দিলেও একা হয়ে পড়বেন জীবনে। তখন সেই সাফল্যকেও মনে হতে পারে অর্থহীন। কাজের পাশাপাশি জীবন ও সম্পর্ককে উপভোগ করুন প্রাণ ভরে। স্মৃতি জমান, এসব স্মৃতি বাকি জীবনেও আনন্দ দেবে আপনাকে।
৩. ব্যক্তিগত জীবনে সেটেল হওয়া নিয়ে তাড়াহুড়ো করা-
ত্রিশ পার হলে বিয়ে করতেই হবে কিংবা সন্তান জন্ম দিতেই হবে এমন ভাবনা ঝেড়ে ফেলুন। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে

ফেললে সেটা কিন্তু আপনার জন্য হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। বিয়ে, সন্তান এগুলো অবশ্যই প্রয়োজনীয় জীবনে। তবে বিয়ের জন্য সঠিক মানুষ খুঁজে পাওয়া কিংবা সন্তানকে বড় করার জন্য আর্থিক ও মানসিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াটাও জরুরি। তাই পরিস্থিতি বুঝে নিন এসব সিদ্ধান্ত।
৪. স্বাস্থ্য সচেতন না হওয়া-
ক্যারিয়ার কিংবা সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ার পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কেও থাকতে হবে সচেতন। ত্রিশের পর ব্যালেন্স ডায়েট,

নিয়মিত শরীরচর্চাসহ স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো আয়ত্তে আনা ভীষণ জরুরি। নাহলে দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

About Susmita Roy

Check Also

দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়

দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়

বিভিন্ন কারণে দাঁতে শিরশিরানি হতে পারে। তবে শীতে এ সমস্যা আসতেই বেড়ে যায়। বিশেষ করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *