মাছ-মাংসের স্বাদকেও হার মানাবে দুর্দান্ত স্বাদের ডিম-মুসুর ডালের এই রেসিপি! শিখে নিন

আমাদের প্রতিদিনের রান্নাতে অবশ্যই যে জিনিসটা থাকে তা হলো ডাল। খুব ভালো প্রোটিনের উৎস এই ডাল। ডালের পাশাপাশি ডিমও আমাদের খুবই পছন্দের। ডিম সিদ্ধ থেকে অমলেট বা ডিমের ঝোল, ডিমের একাধিক পদ আমাদের পছন্দের। কিন্তু মুসুর ডালের সাথেও

ডিমের অসাধারণ কিছু পদ আছে। আর কোনো একদিন দুপুরের মেনুতে কিন্তু এই পদ একেবারে জমে যাবে। তাহলে দেখে নিন কিভাবে বানাবেন। নীচে রইলো রেসিপি- প্রথমে দেখে নিন কি কি লাগবে- ১ কাপ মুসুর ডাল, ৩ টি ডিম, আলু, টম্যাটো, পেঁয়াজ কুচি, লঙ্কা কুচি, আদা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, নুন স্বাদমতো, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, গরম মসলা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, তেজপাতা, শুকনো

লঙ্কা, এলাচ, দারচিনি, সাদা তেল। এবার দেখে নিন কিভাবে বানাবেন- প্রথমে মুসুর ডাল ভালো করে ধুয়ে সেটিকে দুঘন্টা জলে ভিজিয়ে নিন। এরপর এটিকে মিক্সিতে দিয়ে ভালো করে পেস্ট করে নিন। এরপর এর মধ্যে তিনটি ডিম ফাটিয়ে দিন। সাথে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি, ১ চা চামচ আদা রসুন বাটা, নুন স্বাদমতো, ১/৪ চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ গরম মসলার গুঁড়ো দিয়ে

ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর একটি কড়াইয়ে অল্প তেল দিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে এটিকে একটি পাত্রে রেখে পিস পিস করে কেটে নিন। এবার আলুগুলোকে ছোট ছোট করে কেটে তাতে নুন, হলুদ দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন। আলুগুলো ভালো করে ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিন। এবার কড়াইয়ে ২টো তেজপাতা, ১টা শুকনো লঙ্কা, ২ টো এলাচ ও একটি দারচিনি

ও ১ চা চামচ জিরে ফোড়ন এবং পেঁয়াজ কুচি দিন। ভালো করে ভাজা হয়ে গেলে এর মধ্যে আদা-রসুন বাটা, হাফ টম্যাটো ও লঙ্কার পেস্ট দিন। ভালো করে কষুন। ভালো করে কষা হয়ে গেলে এর মধ্যে ১/২ চা চামচ হলুদ, ১/২ চা চামচ লঙ্কার গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো ও ১/২ চা চামচ চিনি ও স্বাদমতো নুন দিয়ে আবার কষুন। ভালো করে কষা হয়ে গেলে এর

মধ্যে ভেজে রাখা আলু গুলো দিয়ে দিন। আলু দেওয়ার কিছুসময় পর জল ঢেলে দিন। ভালো করে ফুটতে শুরু করলে এর মধ্যে আগে থেকে পিস করে রাখা মুসুর ডাল এবং ডিমের ধোকা গুলো দিয়ে দিন। ১০ মিনিট মতো ফোটান। হয়ে গেলে ১/২ চা চামচ গরম মসলা দিয়ে নামিয়ে নিন। রেডি গরম গরম মুসুর ডাল-ডিমের রেসিপি।

About Susmita Roy

Check Also

৬টি সহজ টিপস, যা আমরা অনেকেই জানি না!

৬টি সহজ টিপস, যা আমরা অনেকেই জানি না!

1. সহজেই ভালো-খারাপ ডিম চেনার উপায় : শহরের এই কাজের চাপে বারে বারে দোকানে যাওয়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *