জলে কিছুক্ষণ থাকলেই হাত-পায়ের চামড়া কুঁচকে যায় কেন? ৯৯% মানুষই কারণ জানেই না!

সারাদিনে বাড়ির কম-বেশি কাজ সকলকেই করতে হয়। তাতে জলও ঘাঁটতে হয়। কিন্তু এ আর এমন কী! ভাবছেন আচমকা জল ঘাঁটার কথা কেন আসছে? বাড়ির কাজ করলে জল যে ঘাঁটতেই হবে, এ আর নতুন কথা কী! বেশ তাহলে আর স কথা নাই বা এল। তবে

আপনি কি জানেন একটু জল ঘাঁটার পরেই কেন আপনার হাতের বা পায়ের আঙুলের চামড়া কুঁচকে যায়? তাহলে এমন একটা সাধারণ ঘটনা, সেটা কেন হয় জেনে নিন… শরীরের এক একটি অংশের গঠনশৈলী আলাদা। মুখের চামড়া অনেক পাতলা, সেই তুলনায় হাত এবং পায়ের তলার চামড়া অনেক পুরু। আর এই কারণেই জলের তলায় বহুক্ষণ তাকলে বা জল ঘাঁটলে হাত-পায়ের চামড়া সামান্য ফুলে

যায়, তাপরেই চামড়া কুঁচকে যায়। শরীরের এক একটি অংশের গঠনশৈলী আলাদা। মুখের চামড়া অনেক পাতলা, সেই তুলনায় হাত এবং পায়ের তলার চামড়া অনেক পুরু। আর এই কারণেই জলের তলায় বহুক্ষণ তাকলে বা জল ঘাঁটলে হাত-পায়ের চামড়া সামান্য ফুলে যায়, তাপরেই চামড়া কুঁচকে যায়। কিন্তু কেন এমনটা হয় সেটা কি জানা আছে? এটা কি হওয়া খারাপ? কখন এমনটা হতে পারে? জল

থেকে বাইরে আনলেই বা কেন কিছুক্ষণের মধ্যে আবার চামড়া আগের মতো হয়ে যায়? ছোট থেকে এই প্রশ্নগুলো মাথায় আসলেও, ৯৯ শতাংশ মানুষেরই এই প্রশ্নের উত্তর একেবারে অজানা। কিন্তু কেন এমনটা হয় সেটা কি জানা আছে? এটা কি হওয়া খারাপ? কখন এমনটা হতে পারে? জল থেকে বাইরে আনলেই বা কেন কিছুক্ষণের মধ্যে আবার চামড়া আগের মতো হয়ে যায়? ছোট থেকে এই প্রশ্নগুলো মাথায় আসলেও, ৯৯ শতাংশ মানুষেরই এই প্রশ্নের উত্তর একেবারে অজানা।

প্রথমেই পাঠকরা জেনে রাখুন,
এই ঘটনা নিতান্তই সাধারণ। প্রায় প্রতিনি মানুষের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে। এর কোনও খারাপ দিক নেই। এটা একেবারে প্রাকৃতিক বিষয়। চামড়ার ওপরে একটা তৈলাক্ত অংশ থাকে যাকে সিবাম বা সেবাম বলে। এটা শরীরে রেনকোটের মতো কাজ করে। তাই আমরা যখনই হাত দিয়ে কাজ করি, জল নিজে থেকে হাত বা পা থেকে সরে যায়। প্রথমেই পাঠকরা জেনে রাখুন, এই ঘটনা নিতান্তই সাধারণ। প্রায়

প্রতিনি মানুষের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে। এর কোনও খারাপ দিক নেই। এটা একেবারে প্রাকৃতিক বিষয়। চামড়ার ওপরে একটা তৈলাক্ত অংশ থাকে যাকে সিবাম বা সেবাম বলে। এটা শরীরে রেনকোটের মতো কাজ করে। তাই আমরা যখনই হাত দিয়ে কাজ করি, জল নিজে থেকে হাত বা পা থেকে সরে যায়। কিন্তু আমরা যখন দীর্ঘ সময় জলে হাত দিয়ে কাজ করি বা জলে থাকি, তখন সেই তেলের

লেয়ার চামড়ার ওপর থেকে সরে যায়। তাতেই চামড়া সংকুচিত বা কুঞ্চিত হয়। তারপর যখন ফের হাত, পা জলের বাইরে কিছুক্ষণ রাখা হয়, তা আবার নিজের অবস্থায় ফিরে আসে। কিন্তু আমরা যখন দীর্ঘ সময় জলে হাত দিয়ে কাজ করি বা জলে থাকি, তখন সেই তেলের লেয়ার চামড়ার ওপর থেকে সরে যায়। তাতেই চামড়া সংকুচিত বা কুঞ্চিত হয়। তারপর যখন ফের হাত, পা জলের বাইরে কিছুক্ষণ রাখা হয়, তা আবার নিজের অবস্থায় ফিরে আসে। তাহলে আপনি জানলেন তো কেন জলে বেশিক্ষণ থাকলে বা জলের কাজ

করলে হাত বা পায়ের চামড়া কুঁচকে যায়। এ বারে আপনার দায়িত্ব অন্যকে এমন সহজ বিষয়টা সম্পর্কে অবগত করা। তাহলে আপনি জানলেন তো কেন জলে বেশিক্ষণ থাকলে বা জলের কাজ করলে হাত বা পায়ের চামড়া কুঁচকে যায়। এ বারে আপনার দায়িত্ব অন্যকে এমন সহজ বিষয়টা সম্পর্কে অবগত করা।

About Susmita Roy

Check Also

শিশু খেতে না চাইলে যা মা-বাবার করণীয়

শিশু খেতে না চাইলে যা মা-বাবার করণীয়

নবজাতক থেকে শুরু করে বড় শিশুরাও অনেক সময় খাবারে অনীহা দেখায়। এর ফলে মায়েরা শিশুকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *